ইমাম গাযালীর চিঠি
জ্ঞানের পথে ‘শর্টকাট’ বলে কিছু যদি থেকে থাকে, তাহলে একটাই আছে। আর তা হলো, অভিজ্ঞদের উপদেশ নেয়া। তাদের উপদেশ হয় গোটা জীবনের সারাংশ। জীবনের কঠিন থেকে কঠিন অভিজ্ঞতার গল্প, প্রতিটি হোঁচট থেকে উঠে দাঁড়াবার গল্প, ব্যর্থতা আর সফলতার রাজপথে চলার গল্প।
.
ইমাম গাযালী (রহ.) এই বইতে এমনই কিছু গল্প বলেছেন। তবে চিঠির ভাষায়। প্রিয় ছাত্রের সমীপে। দীর্ঘকাল তাঁর সান্নিধ্যে থাকা ছাত্রকে তিনি এখানে শিখিয়েছেন জ্ঞানের আসল স্বরূপ, আখিরাতের রশদ যোগাড়ের পথ-পদ্ধতি। প্রজ্ঞায় ভরপুর কথামালা দিয়ে সাজানো এর প্রতিটি অধ্যায়। হৃদয়গ্রাহী আলোচনায় মোড়ানো এর প্রতিটি বাক্য। যেন বিদায়কালে সন্তানের প্রতি বাবার শেষ অসীয়ত। শত বছর হয়ে গেলেও যার কথাগুলো আজও রয়েছে জীবন্ত।
.
বইয়ের মোড়কে ইমাম গাযালীর সেই চিঠিগুলো আজ আপনার ডাকবাক্সে পৌঁছে গেছে। হবে কি সময় খুলে দেখবার?
প্রতিদিন একটি আয়াত
মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনে অনেক কথাই শোনে। কিছু কথা মনে রাখে, কিছু যায় ভুলে। এসবের মাঝে সেই কথাই তার হৃদয়ে গেঁথে যায়, যে কথার বক্তা তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নবীজি (ﷺ)-এর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আল্লাহর কথা। তাঁর বরকত-পূর্ণ জীবনে এমন একটি দিন পাওয়া যাবে না, যেদিন তিনি মানুষকে আল্লাহর কথা বলেন নি। তা সত্ত্বেও আল্লাহর কাছে দুআ করতেন, ‘কুরআনকে আমার হৃদয়ের বসন্ত বানিয়ে দাও।’ (সহীহ ইবনু হিব্বান, ৯৬২)