লেখক : তানভীর শাহরিয়ার রিমন, নিক ট্রিনটন, মুহাম্মাদ হোবলস
প্রকাশনী : আদর্শ, পথিক প্রকাশন, রুশদা প্রকাশ
বিষয় : আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা, মন ও মানসিক কাউন্সেলিং
কভার : হার্ড কভার
ভাষা : বাংলা
স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট:চাপে নেই এমন মানুষ আসলে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর । বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসে বিক্রয় কর্মীদের নানারকম স্ট্রেস সামলাতে হয়, স্ট্রেস সামলাতে হয় বিভাগীয় প্রধান থেকে একজন সিইওকে । উদ্যোক্তাদের চাপের কোনো শেষ নেই । আবার যারা নতুন ক্যারিয়ার তৈরি করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কিন্তু ব্যাটে-বলে হচ্ছে না, তাদের চাপও কম নয় । ব্যক্তিজীবনে সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেও অনেকে চাপে ভোগেন ।
এই বইয়ে আমরা নেগেটিভ চাপ কী করে দূর করব এবং পজিটিভ চাপের মাধ্যমে কী করে অনুপ্রাণিত হব সেই সব হ্যাকস নিয়ে কথা বলেছি । লিখেছি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যবস্থাপনার কৌশল নিয়ে। আর হ্যাঁ, লাইফস্টাইল, হেলদি লাইফস্টাইল, সেল্ফ কেয়ার কী করে আমাদের জীবনের নেগেটিভ চাপকে পজিটিভ চাপে রূপ দেবে সেইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ।
এই বই যারা পড়বেন তার অন্তত ১০ শতাংশ পাঠক যদি হ্যাকস গুলো অনুসরণ করে উপকৃত হন, চাপ সামলানোর কৌশল রপ্ত করে সন্তুষ্ট জীবন খুঁজে পান, তবেই আমার লিখার স্বার্থকতা ।আমি জীবনে মূলত পারপাস পেছনে কাজ করি । এই বই সেই পারপাসের একটা অংশ ।উদ্দেশ্যহীন আর কত দিন?কখনো কি ভেবেছ, তুমি কে? তুমি কী? আর তুমি কেন? যদি না ভেবে থাকো, তবে নিজেকে কেন ভুলে গিয়েছ, তা নিয়ে অন্তত একটু ভাবো!
প্রতিনিয়ত আজানের সুরে, বক্তব্যের আবেগী ভাষায়, বইয়ের পাতায় তোমাকে রবের দিকে ডাকা হয়, অথচ তুমি জীবনের বিপরীতে মৃত্যুকেই বেছে নাও। আর কতবার, কতভাবে, কত রকম শব্দ দিয়ে বোঝালে তোমার অন্তরের বন্ধ দরজাটা একটু খুলবে?
তোমার ভেতরের ক্ষতগুলো কত গভীর হলে, ব্যথাগুলো কতটা ছড়িয়ে গেলে, আর কত দিন যন্ত্রণা পোহালে তোমার এই মৃত্যুর ঘোর ভাঙবে—বলো তো?
তারপর বলো, তোমার এই উদ্দেশ্যহীনতা আর কত দিন? অন্তরে এই শূন্যতা নিয়ে আর কত দিন যন্ত্রণা পোহাবে?
তোমার একটা উদ্দেশ্য প্রয়োজন, তোমার ইসলাম প্রয়োজন, তোমার ভেতরে পূর্ণতা প্রয়োজন, এই যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হওয়া প্রয়োজন—এজন্যই তোমাকে ফিরতে হবে।
উদ্দেশ্যহীন আর কত দিন?স্টপ ওভার থিংকিং:আজকের দিনে অতিচিন্তা বা দুঃশ্চিন্তা বেশিরভাগ মানুষের জন্য অনেক বড় এক সমস্যার নাম। কিন্তু, অতিচিন্তা আপনার সমস্যার কোনো সমাধান দেয় না; বরং বর্তমানের সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটায়।
কেননা, অতিচিন্তা হলো অসুখী জীবনের সবচেয়ে বড় কারণ। তাই, চিন্তার বেড়াজালে আটকে যাবেন না। নেতিবাচক চিন্তার ধারা থেকে বেড়িয়ে আসুন, চাপ কমান এবং চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করুন।
বর্তমানে থাকুন এবং সেই জিনিসগুলো থেকে মনকে দূরে রাখুন যা আপনার কোনো কাজে আসে না, কখনো আসবেই না।